আন্তর্জাতিক মুক্তি ও মানবাধিকার প্রামাণ্যচিত্র উৎসবের সমাপ্তি

শেষ হল ৭ম আন্তর্জাতিক মুক্তি ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র উৎসব। উৎসবের এবারের আয়োজনে সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে ফুয়াদ চৌধুরী নির্মিত ‘মার্সেনেজ মেহেন’।

সেরা প্রজেক্ট হিসেবে রফিকুল ইসলাম আনোয়ারের ‘ম্যান্ডেলিন ইন এক্সাইল’ এবং বিশেষ প্রজেক্ট হিসেবে প্রিয়াংকা আশ্চার্যের ‘মুক্তিযুদ্ধে ত্রিপুরা’ নির্বাচিত হয়। এছাড়া ঢাকা ডকল্যাবের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হয় কৃষ্ণকলি ইসলামের ‘এনওসি’।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং ঢাকা ডকল্যাব মনোনীত প্রজেক্টগুলোকে চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে। সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি রবিউল হুসাইনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- উৎসব পরিচালক তারেক মজুমদার, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক কাবেরি গায়েন, উৎসবের ইন্টারন্যাশনাল মেন্টর নিলুৎপল মজুমদার, জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হকসহ বিশিষ্টজন। আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, আমাদের এখন মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি গণহত্যার ইতিহাসেও আসা উচিত।

২৫ মার্চের গণহত্যা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এজন্য এখন আমাদের আরও নথিপত্র প্রয়োজন। যারা সিনেমা তৈরি করছেন, তারা তাদের কাজে সেসব দিক তুলে ধরতে পারেন।

বিধান চন্দ্র কর্মকার বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য প্রিন্ট মিডিয়া থেকেও শক্তিশালী মাধ্যম হল চলচ্চিত্র। কেননা এটা সব শ্রেণীর মানুষ বুঝতে পারে।

আর তাই আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এ মাধ্যমে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তাদের জ্ঞানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল চলচ্চিত্র তৈরিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।

Source: jugantor